এম ইমরান বিন ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া কর্ণফুলী গোডাউন সেতু রক্ষায় অপরিকল্পিত বালু তোলা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে উপজেলার গোডাউন কর্ণফুলী সেতু ওপর মানবন্ধন ও সমাবেশে শত শত নারী পুরুষ অংশ নেন।এ সময় সমাবেশে বক্তব্য দেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহিবুল্লাহ মারুফী, মো. রাসেল, মো. নজরুল, মো. জামাল, মো. জমির, খায়রুল ইসলাম, ইসকান্দর মির্জা, কপিল উদ্দিন, কাজী সোহান প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী সেতুর পাশ থেকে বালু তোলার কারণে সেতু ঝুঁকিতে রয়েছে। নদী পাড়ে হুমকির মুখে পড়েছে অসংখ্য মানুষ। বালু তোলার কারণে তলিয়ে যাবে শত শত বসতঘর, ধ্বসে যাচ্ছে ব্লক। অবিলম্বে সরফভাটাসহ বিভিন্নস্থানে অবৈধ বালু তোলা বন্ধ না হলে ঢাকামুখী লং মার্চ করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেয়া হবে।
বাঙ্গালহালিয়া সরকারি কলেজ এর খন্ডকালীন শিক্ষক নুসরাত জাহান বলেন, আমার বাড়ি দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার পশ্চিম খুরুশিয়া গ্রামে। আমি পড়াশোনা শেষ করি শহরে। আমার জানা মতে ২০১২ সালের আগে বহু কষ্ট করে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার জনগণকে এ নদী পার করতে হত। গোডাউন ব্রিজটা হওয়াতে দক্ষিণ রঙ্গনে বাসির কষ্ট অনেকটা লাঘব হয়েছে। একসময় নদী পার হতে ফেরি ও বোট এর জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। তার থেকে অনেকটা সুখে আছে বর্তমান দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়াবাসী। দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছে এই নদী থেকে উত্তোলন হচ্ছে বালু মহাল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার এমপি ড. হাসান মাহমুদ এর ছোট ভাই এরশাদ মাহমুদ এই কাজে জড়িত ছিলেন। জুলাইয়ের গণ অভ্যুত্থানের পরে এখনো ভালো উত্তোলনের দৃশ্য চোখে পড়ে। এভাবে ভালো উত্তোলন হলে ঝুঁকিতে পড়বে গোডাউনের এই ব্রিজ। আমরা আশা করি প্রশাসন অবৈধ এই ভালো উত্তোলন দ্রুত বন্ধ করবে।