আব্দুল্লাহ আল মোমিন, পাবনা প্রতিনিধি :-
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠন নেতাকর্মীরা গণপূর্ত অধিদফতর ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস পরিদর্শন করেন।এদিকে গণপূর্ত অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ কবিরের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে তাকে অফিসে পাওয়া যায় নাই।নির্বাহী প্রকৌশলীর পিওন,অফিস ষ্টাফসহ একেক জন একেক কথা বলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের সামনে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠন এর অন্যতম সমন্বয়ক বরকত-উল্লাহ ফাহাদ বলেন,আমরা গণপূর্ত অফিসের নামে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েই এসেছি কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলীকে এসে না পাওয়াতে তাদের কাজ কর্ম সম্পর্কে জানতে পারি নাই।আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে আওয়ামীলীগের দোশরদের মাধ্যমে না কি এখনো টেন্ডারের কার্যক্রম চলছে অন্যদিকে সাধারণ ঠিকাদারদের লাইসেন্স থাকার শর্তেও কাজ দিচ্ছে না।এতে আমরা মনে করি আওয়ামীলীগের দোশরদের নতুন করে নতুন রুপে রুপান্তর করতে চাচ্ছে আমাদের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।আমাদের কথা যাদের যাদের লাইসেন্স আছে কাজ করার যোগ্যতা আছে ঠিক তাদেরই দিতে হবে যেন সবাই কাজ করতে সক্ষম হয়।একজন পাবে অন্যজন পাবে না এটাও বৈষম্যর স্বীকার হচ্ছে তারা।
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক বিপ্লব বলেন,আমরা নতুন করে স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ করতে সক্ষম হয়েছি হাজার হাজার ছাত্ররা মিলে।ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে স্বৈরাচার সরকার পতন হয়েছে স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ হয়েছে কিন্তু এই স্বাধীনতা ফিরিয়ে নিয়ে বৈষম্যর স্বীকার হবে মানুষ এমনটা করারা জন্য ছাত্র জনতা আন্দোলন করে নাই।যার যার যোগ্য স্থান তাকে দিতে হবে।গণপূর্ত অফিস পরিদর্শন করে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গেলে সরেজমিনে দেখা যায়,বিগত দিনের চেয়ে এক অন্যরকম দৃশ্য।বিগত দিনে দেখা যায় পাসপোর্ট অফিসে লোকজনের ভিড়ে জমজমাট কিন্তু আজকের এই দিনে পাসপোর্ট করার তেমন কোন চাপই নেই ফাঁকা বললেই চলে এতে শুধু অফিসারই বসে আছে।
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা বলেন,পাসপোর্ট অফিসের পাসপোর্ট করতে আসলে দুই হাজার করে টাকা নেয়,একজনের ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে অন্যজন পাসপোর্ট করে চলে যায়,ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য বারবার ঘুরতে হয় টাকা দিলেই ফিঙ্গার মেলে অন্যদিকে আপনাদের অফিস সহকারীর সাথে দালাল চক্রের অন্তরঙ্গ যোগাযোগ এর মাধ্যমেই হয় কথা বললে সহকারী পরিচালক আহাসান উদ্দিন বলেন,আমি এখন যা বলবো তা রেকর্ডে বলবো না,কারণ হচ্ছে যে রেকর্ডে বলার কোন অনুমতি নেই,রেকর্ডে যখনি কিছু বলতে যাবো তখনি আমার ডিজি স্যার বলবে তুমি ডিসির অনুমতি নিয়েছো কি না?তিনি স্বীকার করে বলেন একজনের ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে অন্য জন করে চলে যায়।